SLIDER

Navigation-Menus (Do Not Edit Here!)

২১ লক্ষণে বুঝবেন সহকর্মীরা আপনাকে ঘৃণা করে

কর্মস্থলে সহকর্মীদের কেউ কেউ হয়তো আপনাকে ঘৃণা করার বিষয়টি নিয়ে কোনো রাখঢাক করবে না। তবে অনেকেই আবার বিষয়টি নিয়ে কুটনৈতিক এবং পেশাদারিত্বমূলক আচরণকেই অবলম্বন করবেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও কঠোর অনুভুতিগুলো লুকোনো একটু কঠিনই বটে।
কিন্তু আপনাকে সবসময়ই সহকর্মীদের প্রতি সংবেদনশীল থাকতে হবে, তাদের সঙ্গে হাসিখুশি ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করতে হবে, খোলামেলাভাবে যোগাযোগ করতে হবে এবং তাদের সঙ্গে বিশ্বস্ততার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
এখানে এমন ২১টি সুক্ষ্ম লক্ষণের বিবরণ দেওয়া হলো যেগুলো দেখে আপনি বুঝতে পারবেন সহকর্মীরা আপনাকে গোপনে ঘৃণা করেন। তবে মনে রাখবেন আপনি হয়তো সহকর্মীদের দেহভঙ্গি বা গলার স্বর ভুলভাবে মূল্যায়ন করছেন। কারণ কর্মক্ষেত্রে ভুল বুঝাবুঝি হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কারণ কেউই অন্যের মনে কী আছে তা নিশ্চিত করে বলতে পারেন না।
কিন্তু আপনার যদি মনে হয় যে, আপনিই একমাত্র এ ধরনের আচরণগুলোর শিকার তাহলে সম্ভবত আপনার সহকর্মীরা আপনাকে সত্যিই পছন্দ করেন না।
১. আপনার যদি এমনটা মনে হয় যে, সহকর্মীরা আপনাকে পছন্দ করেন না, তাহলে এমনও হতে পারে যে এটি শুধুই আপনার মনের একটি ধারণা মাত্র, তবে তা সত্যিও হতে পারে। তারা যদি অন্য আর সবার চেয়ে আপনার সঙ্গে ভিন্নভাবে আচরণ করে তাহলে ধরে নিবেন আপনি তাদের পছন্দের জন নন। তবে হুট করেই বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার সিদ্ধান্ত না নিয়ে বরং পর্যবেক্ষণ করতে থাকুন এবং অন্যান্য লক্ষণ থেকে বুঝার চেষ্টা করুন সহকর্মীরা সত্যিই আপনাকে ঘৃণা করেন কিনা।
২. সহকর্মীরা যদি শুধু আপনার ধারণাগুলোই চুরি করে নিজেরা বাহবা কুড়ায় তাহলে বুঝবেন তারা আপনাকে ঘৃণা করে এবং আপনাকে সরিয়ে দিতে চাইছে।
৩. কাউকে ঘৃণা করলে তার চোখে চোখ রেখে কথা বলা একটু কঠিনই বটে। সহকর্মীরাও যদি আপনার সঙ্গে কথা বলার সময় চোখাচোখি এড়িয়ে যান তাহলে বুঝতে হবে তারা আপনাকে ঘৃণা করেন।
৪. সহকর্মীরা যদি আপনার সামনে সবসময়ই সচেতনভাবে গোমড়ামুখো হয়ে থাকেন তাহলে বুঝবেন অবশ্যই কিছু একটা গণ্ডগোল আছে।
৫. ভালো-মন্দ জিজ্ঞেস করলে সহকর্মীরা যদি “ওকে”, “ফাইন” এভাবে সংক্ষেপেই উত্তর দেওয়ার কাজটি সেরে নেন বা আপনাকে করা তাদের ইমেইলগুলোতে “হ্যালো” বা “গুড আফটারনুন” না বলে শুধু কাজের কথাই থাকে তাহলে বুঝবেন তারা একদমই আপনার ভক্ত নন। আর তাদেরকে যদি মনমরা কিশোর মনে হয় তাহলে তো তা আপনার জন্য একটি লাল সংকেত।
৬. সহকর্মীরা যদি নিজেদের মধ্যে হাঁসি-ঠাট্টা করার সময় আপনাকেও তাদের দলভুক্ত না করে নেন তাহলে বু্ঝে নিবেন তারা আপনাকে তাদেরই একজন হিসেবে মেনে নিতে পারছেন না।
৭. সহকর্মীরা যদি লিফট, সিঁড়ি বা ব্রেকরুমে আপনাকে এড়িয়ে চলেন তাহলে বুঝবেন তারা সত্যিই আপনাকে পছন্দ করেন না।
৮. কর্মস্থলে কেউ যদি আপনাকে পছন্দ না করে তাহলে তারা আপনার বিরুদ্ধে গুজব রটাবে।
৯. কোনো সহকর্মী যদি আপনার ওপর অনধিকার ক্ষমতার চর্চা করেন তাহলে বুঝে নিতে হবে তিনি আপনার অবস্থান নিয়ে অসন্তুষ্ট।
১০. সহকর্মীরা যদি আপনাকে অফিসে ঢোকার ও বাহির হওয়ার সময় অভিভাদন না জানায়।
১১. সহকর্মীরা যদি কখনো আপনাকে দুপুরের খাবার, আড্ডা বা নতুন প্রকল্প সংক্রান্ত বৈঠকে অংশগ্রহণের আহবান না জানায়।
১২. আপনার সামনে যদি সহকর্মীরা নেতিবাচক দেহভঙ্গি করে। যেমন, চোখ পাকানো, বুকের ওপর বাহু গুটিয়ে রাখা, আপনাকে দেখে কম্পিউটার স্ক্রিনে মুখ লুকিয়ে রাখা ইত্যাদি।
১৩. আপনাকে দেখার সঙ্গে সঙ্গেই ও আশে-পাশে থাকার সময় যদি সহকর্মীরা প্রতিরক্ষামূলক দেহভঙ্গি প্রকাশ করে তাহলে বুঝে নিবেন আপনার প্রতি তাদের বিশ্বস্ততায় ঘাটতি এবং গভীর অপছন্দ আছে।
১৪. সহকর্মীরা আপনাকে পছন্দ না করলে আপনার সঙ্গে মুখোমুখি যোগাযোগ বন্ধ করে দিবে। এমনকি পাশে বসে থাকা অবস্থায়ও তারা আপনার সঙ্গে ইমেইলে যোগাযোগ করবে!
১৫. আপনার সঙ্গে নিত্য দ্বিমত পোষণ করবে। আপনি কোনো ভালো পরামর্শ দিলেও তাতে একদমই কান দিবে না। আপনি কোনো একটি কথা বলে শেষ করার আগেই তা নাকচ করে দিবে।
১৬. নিজেদের মধ্যে দলবাজি করবে এবং আপনাকে সবসময়ই একঘরে করে রাখার চেষ্টা করবে।
১৭. সহকর্মীরা যদি আপনার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আপনাকে কখনোই কিছু জিজ্ঞেস না করে, অথচ নিজেদের মাঝে পরিবার-পরিজন নিয়ে প্রায়ই আলাপ-আলোচনা করে।
১৮. আপনার কোনো বিষয়কে বা সমস্যাকে কখনোই গুরুত্ব দেয় না। এবং আপনার কাজকেও অন্যদের সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখে না।
১৯. যদি উল্টাপাল্টা কিছু হলেই সহকর্মীরা আপনার ওপর দোষ চাপায়; কম্পানির নীতির বিরুদ্ধে কিছু করলে বা বললে আপনার ওপর বকবক করে; কোনো ভুল করলেই আপনার বিরুদ্ধে বসের কাছে অভিযোগ করতে দৌঁড়ে যায়, তাহলে বুঝবেন তারা আপনাকে চাকরিচ্যুত করতে চাইছেন।
২০. সহকর্মীরা যদি আপনাকে অন্য কোথাও চাকরি নিতে উৎসাহিত করেন এবং অন্য কম্পানিতে চাকরি নিলে আরো বেশি সফল হতে পারবেন বলে আপনাকে প্ররোচিত করেন তাহলে বুঝে নিবেন তারা আসলে আপনার ভালো চায় না।
২১. সহকর্মীরা যদি আপনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে বেশি বেশি প্রশ্ন করে বা আপনার সম্পর্কে শুধু প্রয়োজনের ভিত্তিতে তথ্য বিতরণ করে তাহলে বুঝে নিবেন তারা আপনার ক্যারিয়ার ধ্বংস করতে চাইছে।

মোটা মানুষ মারা যায় অন্যদের আগে

মোটা মানুষদের এমনিতেই বাড়তি ওজন নিয়ে অনেক সময় উদ্বিগ্ন হতে দেখা যায়। তার ওপর নতুন একটি গবেষণা চিন্তা বাড়িয়ে দিতে পারে আরও।
কারণ মোটা মানুষেরা সাধারণদের চেয়ে দ্রুত মৃত্যুবরণ করেন। এক্ষেত্রে পুরুষেরা নারীদের চেয়ে তিনগুণ বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। খবর বিবিসির।
বেশ বড় পরিসরে চালানো এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। কখনো ধূমপান করেন না এবং দীর্ঘদিন কোনও রোগে ভোগেননি এমন মানুষদের ওপর এ সমীক্ষা চালানো হয়।
চিকিৎসা বিষয়ক জার্নাল দ্য ল্যানসেট-এ প্রকাশিত রিপোর্টে প্রায় চল্লিশ লাখ মানুষের ওপর গবেষণা চালিয়ে এ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, মোটা মানুষেরা স্বাভাবিক ওজনের মানুষের চেয়ে অন্তত তিন বছর আগে মারা যায়।

Pages