SLIDER

Navigation-Menus (Do Not Edit Here!)

সুখের সঙ্গী এবার মিরাকল পুরুষ পিল!

পুরুষ যদি কনডমে নারাজ হয়, সেক্ষেত্রে মেয়েদের গর্ভনিরোধক বড়ি না খেয়ে উপায় থাকে না। নিজের অনাকাঙ্ক্ষিত মাতৃত্বের হাত থেকে সুরক্ষিত রাখার দায় গিয়ে বর্তা মেয়েটির উপরই। এবার, কিন্তু পুরুষদের জন্যও বাজারে আসতে চলেছে কন্ট্রাসেপটিভ পিল।
গবেষকদের দাবি, পুরুষ বন্ধ্যাত্বকরণে বিপ্লব এনে দেবে এই পুরুষ-পিল।
যিনি এর নেপথ্যে, সেই অ্যারন হ্যামলিন জানান, এই ভ্যাসালজেলে কোনও হরমোন নেই। এটা একধরনের পলিমার, যার কাজ হবে স্পার্ম আসার পথটাকে আটকে দেওয়া।
মেডিক্যাল রিসার্চ অর্গানাইজেশন পারসেমাস ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন প্যানেল (এফডিএ)-এর প্রথমদফায় ছাড়পত্র মিলেছে। ফলে, আশা করা যায় ২০১৮ থেকে ২০২০-র মধ্যে পুরুষদের এই গর্ভনিরোধক মার্কিনবাজারে চলে আসবে।
মেডিক্যাল রিসার্চের দাবি, ইঞ্জেকশনের আকারেও থাকছে। একবার ইঞ্জেকশন নিলে, এক বছর নিশ্চিন্ত। এই ভ্যাসালজেলটি কাজ করবে শুক্রনালিতে। কাজ হবে শুক্রাণু বা স্পার্ম আসার পথটাকে বন্ধ করে দেওয়া। তবে, স্পার্ম আটকালেও অন্য ফ্লুইড অনায়াসে বেরিয়ে আসতে পারবে। ফলে, পুরুষের যে যৌনতৃপ্তি, সেদিক থেকে কোনও সমস্যা হবে না।
গবেষকরা আশ্বস্ত করেছেন, এই পলিমারটি শুক্রনালিতে কাজ করলেও, ইঞ্জেকশানটি পুরষাঙ্গ বা শুক্রাশয়ে নিতে হবে না। ইঞ্জেকশনটি দেওয়া হবে, শুক্রথলিতে।
প্রশ্ন উঠতে পারে, স্পার্ম আসার পথ বন্ধ হলে, পুরুষ পেইন অনুভব করবে কি না। গবেষকরা আশ্বস্ত করেছেন, স্পার্ম আসা আটকানো হলেও, এটা ভ্যাসেকটোমির মতো কখনোই নয়। শুক্রনালি বেঁধে দেওয়া হয় না। ফলে, ফ্লুইডের চাপে যন্ত্রণা অনুভূত হয় না। ভ্যাসালজেল ব্যবহারের আরও একটা সুবিধা রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ইচ্ছোমতো পলিমারটিকে গলিয়ে ফেলা যাবে। তার জন্য আর একবার ইঞ্জেকশন নিতে হবে।

Pages