SLIDER

Navigation-Menus (Do Not Edit Here!)

মধুর মুহূর্তের নতুন অনুঘটক

পৌঁষের কনকনে ঠাণ্ডায় পুকুরের পানিতে ডুব মেরে গোসলটা অনেকের জন্যই দুঃস্বপ্ন হয়ে দেখা দেয়। পুকুরপাড়ে রোদের মধ্যে দাড়িয়ে কেউ আবার গোসলের সিদ্ধান্ত নিতেই ঘন্টা পার করে দেন। আলমারি থেকে একে একে বেরিয়ে
পড়ে সোয়েটার থেকে হাতমোজা। কিন্তু, থেমে থাকে না প্রেমিক হৃদয়ের উষ্ণ আলিঙ্গন। সদ্য বিবাহিতদের অন্দরমহলে যখন হালকা হয়ে জ্বলতে থাকে গাঢ় সবুজ কিংবা লাল রঙের নাইট ল্যাম্প, তখন প্রেমের উষ্ণতার কাছে অনেকটা পরাজিতই হতে বসে পৌঁষের কনকনে হাওয়া। তাপমাত্রার পারদ নিচের দিকে নামতে থাকলেও বাড়তে থাকে ঘরের উষ্ণতা। মনের ইচ্ছের সঙ্গে দল বেঁধে পিটুইটারি হরমোনের রাত্রিকালীন রসায়নে নিজের শরীর থেকে প্রিয়জনের শরীরে ব্লু-টুথ ছাড়াই পৌঁছে যায় উত্তেজনার বার্তা। হাতের আঙুল থেকে শুরু হয়ে ঘাড়ে গরম নিশ্বাস। উষ্ণ চুম্বনে হয় শরীরি প্রেমের শুভ সূচনা। তবে পরিবার পরিকল্পনার চক্করে পড়ে প্রেমের উত্তাল তরঙ্গটা যেন এক ধাক্কায়ই বরফের চাইয়ের নিচে চাপা পড়ে যায়।

শরীরি প্রেমে ‘স্কিনি টাচ’টা-ই যদি না হয় , তাহলে তো বিশুদ্ধ প্রেমের রসায়ন শতভাগ পূরণ না হওয়াই স্বাভাবিক। কিন্তু ক’জন দম্পতি ঠিক ভাবেন এইভাবে? তবে ভেবেছে জনপ্রিয় কণ্ডম প্রস্তুতকারক সংস্থা ‘কামসূত্র’। এই ভাবনাকেই উসকে দিতে সম্প্রতি তারা নেমে পড়ছিলেন মার্কেট রিসার্চে। রিসার্চে অংশ নিয়েছিলেন দেশ-বিদেশের দম্পতিরা। তবে রিসার্চের ব্যাপারে ‘কামসূত্র’ কিন্তু বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন মহিলাদের মন্তব্যেই। রিসার্চে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেশিরভাগ মহিলারই জানিয়েছেন তাঁদের সঙ্গী কণ্ডম ব্যবহার করলে নিরাপত্তা থাকছে ঠিকই কিন্তু সঙ্গমের আসল আনন্দটাই আর থাকছে না। বেশিরভাগ পুরুষও ঠিক এইরকমই মনে করছেন।
রিসার্চ থেকে পাওয়া তথ্যনুযায়ী ‘কামসূত্র’ তাই চটজলদি বাজারে নিয়ে এল একেবারে নতুন ধরণের কণ্ডম। যার নাম ‘স্কিন’। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে নতুন কণ্ডম তৈরি হয়েছে পলিসোপ্রেনে নামক এক বিশেষ উপাদান দিয়ে, যা একেবারে রবারজাত দ্রব্য নয়। এটি রবারের তুলনায় বেশিমাত্রায় স্বচ্ছ, পাতলা ও নরম। এটি এতটাই পাতলা যে স্কিনের মতই অনুভূতি দিতে সক্ষম। সংস্থার বিজ্ঞাপনেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই বিষয়কে, অর্থাৎ ‘স্কিন কণ্ডম দ্য ক্লোজেস্ট থিং টু ওয়্যারিং নাথিং৷’ বিষয়টা বেশ মজারও বটে।

অভিনবত্ব রয়েছে প্রচারেও৷ সংস্থার অফিসিয়াল সাইটে মহিলাদের দিয়েই করানো হচ্ছে প্রোডাক্টটির প্রচার। সেখানে তঁদের মুখে শোনা যাচ্ছে আনন্দ উপভোগের কথা। সারা বিশ্বেই কিছু লিডিং মেডিক্যাল স্টোরেই আপাতত পাওয়া যাবে এই কণ্ডম। অনলাইনেও অবশ্য অর্ডার দেওয়ার সুযোগ আছে। অফিসিয়াল সাইটে ইচ্ছে করলে ফ্রি স্যাম্পেল পাওয়ার জন্যও অনুরোধের সুযোগটি রেখেছে কামসূত্র। চারটি ফ্লেভারে মিলবে ‘কামসূত্র’-র এই ‘স্কিন কণ্ডম’। বিজ্ঞাপনের সুরেই না হয় বলা যাক ‘লাভ দ্য টাচ অফ স্কিন? দেন ইউ উইল সিওরলি লাভ স্কিন’।

Pages