SLIDER

Navigation-Menus (Do Not Edit Here!)

বক্ষবন্ধনী থেকে ক্যান্সার

ক্যান্সারে আক্রান্ত মহিলাদের মধ্যে দেখা গেছে, তাদের শতকরা ১.৭ ভাগই স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত। ক্যান্সার জিনিসটি হলো কোষের অনিয়ন্ত্রিত অবিরাম বিভাজন। কোষের সেই বিরামহীন বিভাজনটি স্তনের ভেতরে ঘটলে স্তন ক্যান্সার দেখা দেয়। স্তন ক্যান্সার সাধারণত স্তনের নালীর ভেতর থেকে শুরু হয় এবং স্তনের মেদবহুল অংশে ছড়িয়ে যায়।
যেসব মহিলা সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ান না কিংবা ত্রিশ বছর পর প্রথম সন্তান জন্ম দিয়েছেন
কিংবা নিঃসন্তান, যেসব মহিলার বয়স ৩৫ বছরের ঊর্ধ্বে কিংবা যেসব মহিলার স্তন ক্যান্সারের পারিবারিক ইতিহাস রয়েছে অথবা যেসব মহিলা অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার খান তাদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। সম্প্রতি আমেরিকার বিজ্ঞানীরা চার হাজার ৫০০ মহিলার ওপর জরিপ চালিয়ে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আরো একটি কারণ খুঁজে পেয়েছেন। জরিপে দেখা গেছে, ব্রেসিয়ার পরার কারণে মহিলাদের স্তন ক্যান্সার হতে পারে। প্রতিদিন নিয়মিত ১২ ঘণ্টা ব্রেসিয়ার পরে থাকলে মহিলাদের স্তন ক্যান্সারের আশঙ্কা ১১ শতাংশ বেড়ে যায়। ব্রেসিয়ার পরিধানের ফলে স্তনের লসিকানালী সঙ্কুচিত বা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে তার ভেতর দিয়ে শরীর বিষাক্ত পদার্থগুলোকে দূর করতে পারে না। ফলে স্তনের কোষে তা জমা হয়ে কোষে অনিয়ন্ত্রিত বিভাজন ঘটায় এবং সৃষ্টি করে ক্যান্সারের। পশ্চিমা দেশগুলোতে প্রতি বছর স্তন ক্যান্সারের কারণে মারা যান কয়েক হাজার মহিলা। কিন্তু আফ্রিকার দেশগুলোতে স্তন ক্যান্সারে মারা যাওয়ার ঘটনা বিরল। গবেষণায় দেখা গেছে, পশ্চিমা দেশগুলোর মহিলাদের মধ্যে ব্রেসিয়ার পরার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। কিন্তু আফ্রিকান মহিলারা তেমন একটা ব্রেসিয়ার পরেন না। তাই স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে ব্রেসিয়ার পরার অভ্যাস কমাতে হবে। যারা স্তনের গঠন ঠিক রাখার জন্য ব্রেসিয়ার পরার অভ্যাস ত্যাগ করতে চান না তাদের জন্য রয়েছে কয়েকটি পরামর্শ
  • ব্রেসিয়ার কখনো টাইট করে পরবেন না
  • পাতলা কাপড়ের ব্রেসিয়ার পরবেন
  • ঘুমাতে যাওয়ার আগে ব্রেসিয়ার পরবেন না
  • ব্রেসিয়ার যেন স্তনের মাপের হয়।

Pages