SLIDER

Navigation-Menus (Do Not Edit Here!)

৫০ বছর পর মানুষ সেক্স করবে রোবটের সঙ্গে




স্ত্রীর মুখ-ঝামটানি সহ্য করে যাঁকে সোহাগ করতে হয় (ছায়াছবি- সাড়ে চুয়াত্তর), সেই চক্কোত্তিমশাই বেঁচে থাকলে, এ সিনে কেমন মুখ-চোখ করতেন, সেটা ভেবে বাঙালির হাসিমুখ কল্পনা করা যায়। শুধু এটুকু কল্পনা করতে অসুবিধা হয়, আজ থেকে মাত্র ৫০টা বছর পর, স্ত্রীর বিরক্তি আর মুখ-ঝামটানিতে পাশ ফিরে শুতে হবে না কোনও ‘আপাত নিরীহপ্রাণ’কে। বরং গটগট করে, মাথা উঁচু করে, রোবট-সঙ্গিনীকে নিয়ে চলে যাওয়া যাবে বিছানায়। এমনই হবে সেক্স ৫০ বছর পর।
আজ থেকে ৫০ বছর আগে যাঁরা যৌবনে ছিলেন.. তাঁরা কি সেক্স-টয়, সেক্স-ডল, নীলছবি, লালছবি শুনেছিলেন? কল্পনা করেছিলেন জিন্স-লেগিংস পরে মেয়েরা ঘুরবে? সানি, কিমদের এত খোলামেলা সবকিছু পাওয়া যাবে? ভাবেননি তো? ঠিক তেমনই আমাদের প্রজন্ম ভাবতে পারবে না, আমাদের নাতি-নাতনিদের যুগে কী আসতে চলেছে। বিজ্ঞানীদের কথায় রোবটের সঙ্গে সেক্স হবে আম-বাত। ঘরে ঘরে থাকবে এমনই রোবট। যে রাত্রে সঙ্গ দেবে। শুধু পুরুষই নয়, সঙ্গী পাবেন মহিলারাও।
পাশ্চাত্যে সেক্সডলের ব্যবহার আজ নতুন কিছু নয়
খুব বেশি দূরের কথা নয়। ১ দশক আগেও স্মার্টফোন নামটাই কেউ শোনেনি। আর আজ, কানে ব্লু-টুথ লাগিয়ে স্মার্টফোনে কথা বলে উনিশ-কুড়ির দল। বিজ্ঞানীদের দাবি, আগামী ৫০ বছরের মধ্যে রোবটের সঙ্গে শারীরিক মিলনকে গ্রহণ করে নেবে মানুষ। রোবট-মানুষের মধ্যে গড়ে উঠবে যৌন সম্পর্ক। এতদূর শুনে এখন যদি প্রশ্ন ওঠে সত্যি কি রোবটের প্রতি মানুষ আকর্ষিত হতে পারে ? প্রাণহীন, হৃদয়হীন একটি বস্তুর জন্য কি অনুভূতি সৃষ্টি হতে পারে ?
পারে। বলছেন ব্রিটেনের সানডারল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি অফ সেক্স অ্যান্ড রিলেশনশিপের অধ্যাপক ডঃ ড্রিসকোল। তাঁর মতে, ২০৭০ সালের মধ্যে রোবটের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক মেনে নেবে মানুষ। এ প্রসঙ্গে তাঁর ব্যাখ্যা, আজ থেকে ১০০ বছর আগে যৌনতা সম্পর্কিত মানুষের ধারণাগুলো আজ সম্পূর্ণ পালটে গেছে। একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে আজ  আমরা সেক্স টয়, ডল কিংবা মানেকুইন ব্যবহার করছি। আগামী কয়েক বছরে তা আরও প্রসার পাবে। এবং সেক্স ইন্ডাস্ট্রি দাপিয়ে বেড়াবে রোবোটিক টেকনলজি। সাধারণভাবে এই পরিকল্পনাকে উদ্ভট মনে হলেও, আগামী ৫০ বছরের মধ্যেই আপাত কাল্পনিক এই ভাবনা বাস্তবে রূপ নেবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। ডঃ ড্রিসকোল আরও মনে করেন, ভার্চুয়াল রিয়ালিটি এত বেশি বাস্তবে রূপান্তরিত হচ্ছে, যে মানব সঙ্গীর সঙ্গে যৌনকাজে সহজেই লিপ্ত হতে পারবে রোবট।
প্রসঙ্গত, জাপানে এই চল প্রচলিত যে, বহু পুরুষই গার্লফ্রেন্ড বা স্ত্রীর পরিবর্তে সেক্স ডলকে নিয়ে ছুটি কাটাতে যান। ভবিষ্যতেও এই সম্ভাবনা বাড়বে বলে মনে করেন ডঃ ড্রিসকোলের মতো বিজ্ঞানীরা। তাঁদের মতে, মানুষের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এত বেশি টেকনলজি নির্ভরতা রয়েছে, যে একসময় আসবে যখন মানুষ যৌনতার জন্যও টেকনলজিকেই বেছে নেবে। সঙ্গী হিসেবে চাইবে রোবটকে।  কারণ আর যাই হোক রোবট যৌন সম্পর্কের সময় “আজ দুষ্টুমি নয়” বলবে না। শাড়ি চাই, সোনা চাই, ডায়মন্ড চাই… করবে না।

Pages