SLIDER

Navigation-Menus (Do Not Edit Here!)

আপনার মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে এয়ার কন্ডিশনার

এয়ারকন্ডিশনারের উপর ধীরে ধীরে আমরা অভ্যস্ত হয়ে পড়ছি। কর্পোরেট জগতে এর যেন কোন বিকল্প নেই। বাসা বাড়িতেও আমরা হর হমেশা এয়ারকন্ডিশনার ব্যবহার করছি। কিন্তু এর প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা আমাদের কোন ক্ষতি করছে না তো? আসুন এয়ারকন্ডিশন ব্যবহারের কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে জেনে নিই।
অসুস্থতা এবং অবসাদ:
গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মানুষ এয়ারকন্ডিশনড পরিবেশে বেশি সময় থাকেন, তারা মাথা ব্যথা এবং অবসাদে বেশি ভোগেন। এটা আপনার ঠাণ্ডার সমস্যা, ফ্লুর প্রকোপ বহুগুণে বাড়িয়ে দিতে পারে।
ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া:
বেশি সময় এয়ারকন্ডিশনড পরিবেশে থাকলে একজন মানুষের ত্বক আর্দ্রতা হারিয়ে ফেলে। যদি কেউ ত্বক আর্দ্র করার কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করেন, তবে শুষ্ক ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় তিনি আক্রান্ত হবেন।
শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা:
আপনি দিনের বেশিরভাগ সময় এয়ারকন্ডিশনড রুমে থাকেন এবং প্রায়ই বিভিন্ন শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় ভোগেন। কিন্তু শ্বাসতন্ত্রের সমস্যার কারণ বুঝতে পারেছন না? ভেবে নিন আপনার এয়ারকন্ডিশন এর জন্য অনেকাংশে দায়ী। এয়ারকন্ডিশন শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন ইনফেকশনকে বাড়িয়ে দিতে পারে। এমনকী নিউমোনিয়া পর্যন্ত হতে পারে।
গরমের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ায় সমস্যা:
যারা সবসময় এয়ারকন্ডিশনড রুমে থাকতে অভ্যস্ত, তারা দীর্ঘমেয়াদে বিভিন্ন সমস্যায় পড়েন। বেশি সময় এয়ারকন্ডিশনড রুমে থাকার অভ্যাস থাকলে আপনার শরীর গরমের সাথে মানিয়ে চলার ক্ষমতা হারাবে। শরীর শীতল আবহাওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে গেলে, গরম আবহাওয়া আপনার সহ্য হবে না। বাইরে বের হলে আপনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন এবং শরীর থেকে প্রচুর ঘাম নির্গত হবে।
চোখের সমস্যা:
এয়ারকন্ডিশনার চোখের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। যেমন conjunctivitis এবং blepharitis। এছাড়া যারা চোখে লেন্স ব্যবহার করেন তারাও সমস্যায় ভূগতে পারেন।
বেশ কিছু রোগের প্রকোপকে বাড়িয়ে দেয়:
এয়ারকন্ডিশন বেশ কিছু রোগের প্রকোপকে বাড়িয়ে দেয়। যেমন ব্লাড প্রেসার, আর্থাইটিস, বিভিন্ন ধরণের স্নায়ু প্রবাহ ইত্যাদি। এছাড়া অনেকের এ্যালার্জিও মারাত্নক আকার ধারণ করতে পারে।
করণীয়:
– এয়ারকন্ডিশনার নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং মেরামত করতে হবে।
– আপনার রুমের তাপমাত্রা ২১-২৫ ডিগ্রির মধ্যে রাখুন।
– ঠাণ্ডার মৌসুমে এয়ারকন্ডিশন ব্যবহার থেকে দূরে থাকুন।
– ত্বকের আর্দ্রতা ঠিক রাখতে লোশন এবং ক্রিম ব্যবহার করতে হবে।
– মাঝে মুখে, হাতে পানির ঝাপটা দিন। গরমকে ভয় না পেয়ে, এর সাথে আস্তে আস্তে মানিয়ে নিন।
– এয়ারকন্ডিশন আপনার কোন রোগের প্রকোপ বাড়িয়ে দিলে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। প্রয়োজনে চাদর ব্যবহার করুন।

Pages